২০২৬ সালের এশিয়ান ট্রেইলব্লেজার্স তালিকায় নির্বাচিত ৫০ জনের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন দু’জন বাংলাদেশি আমেরিকান। তারা হচ্ছেন: জেমি কাজী ও এরাম হানিফ। ‘নিউইয়র্ক সিটি এবং নিউইয়র্ক স্টেটের বার্ষিক এশিয়ান ট্রেইলব্লেজার্স উচ্চ পর্যায়ের এশিয়ান আমেরিকান কমিউনিটির শীর্ষ ৫০ জনকে নির্বাচন করেছে, যারা নিউইয়র্কে উদীয়মান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
এ তালিকায় তারাই অন্তর্ভূক্ত, যারা পর্দার আড়ালে থেকে রাজনৈতিক পরামর্শা দান করেন এবং নীতি কুশলী হিসেবে কাজ করেন। তারা নিউইয়র্কের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করছেন এবং যারা এশিয়ান আমেরিকান কমিউনিটির এবং সকল নিউইয়র্কবাসীর দৈনন্দিন জীবন উন্নত করার কাজে নিয়োজিত আছেন, তাদের সহায়তা দান করছেন।
দুই নির্বাচিত বাংলাদেশি-আমেরিকানের মধ্যে জেমি কাজী 32BJ SEIU এর স্টেট এন্ড ফেডারেল কোঅর্ডিনেটর। গতবছর 32BJ SEIU-তে যোগ দেওয়ার আগে জেমি কাজি নিউইয়র্কের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার সাথে কাজ করেছেন। তিনি নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল সদস্য অ্যাড্রিয়েন অ্যাডামসের আইন প্রণয়ন সমন্বয়কারী ছিলেন, স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন এবং ক্যাটালিনা ক্রুজের আইন প্রণয়ন পরিচালক ছিলেন এবং কুইন্সে একটি স্টেট কমিটির সদস্য ছিলেন। ক্যাটালিনা ক্রুজের সাথে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি “ওয়েজ থেফট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট” এবং “ক্লিন স্লেট অ্যাক্ট” এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছেন।
জেমি কাজী বর্তমানে 32BJ SEIU-এর অনেক এনডোর্সমেন্ট এর তদারকি করছেন, যার মধ্যে অ্যাসেম্বলিওম্যান ডায়ানা মোরেনোর জন্য এনডোর্সমেন্ট এবং স্টেট সিনেটর জেসিকা রামোসের বিরুদ্ধে অ্যাসেম্বলিম্যান জেসিকা গনজালেস-রোজাসের চ্যালেঞ্জের এনডোর্সমেন্টও অন্তর্ভুক্ত।
এরাম হানিফ ‘আপনা কমিউনিটি সার্ভিসেস’ নামে একটি নন-প্রফিট প্রতিষ্ঠানের সিইও। তার প্রতিষ্ঠান গত দুই দশক ধরে ব্রুকলিনের দক্ষিণাঞ্চলে স্বল্প আয়সম্পন্ন ইমিগ্রান্টদের সহায়তা দিচ্ছে। প্রথমে তিনি একটি অ্যাডাল্ট ডে-কেয়ার সার্ভিসে ডাইরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন।
কমিউনিটিতে আরো সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে তিনি ২০১৭ সালে ‘আপনা কমিউনিটি সার্ভিসেস’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরাম হানিফ ইতিপূর্বে আমেরিকান কাউন্সিল ফর মাইনরিটি ওম্যান, নিউ আমেরিকান লিডার্স এবং ইন্টারফেইথ সেন্টার অফ নিউইয়র্কের সাথে কাজ করেছেন।





