পাকিস্তানে বৈঠকে অংশ নিতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসাক দার। চলতি মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখে ইসলামাবাদে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এক্স-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসাক দার এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, তারা “গভীর আলোচনা” করবেন, যার মধ্যে থাকবে “অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা” সম্পর্কিত আলাপ।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছেছেন। শান্তি প্রতিষ্ঠায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাবও দিয়েছে—যদিও তা অনুষ্ঠিত হবে কি না, এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইসাক দার বলেন, পাকিস্তানের মাধ্যমে “বার্তা বিনিময়” করে “পরোক্ষ আলোচনা” চলছে।
এছাড়া এদিকে ট্রাম্পও এ সপ্তাহের শুরুর দিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের একটি এক্স পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন এবং সেটি ট্রুথ সোশালে পোস্ট করেন। ওই পোস্টে শরিফ লিখেছিলেন, পাকিস্তান আলোচনার আয়োজন করতে “প্রস্তুত”।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে “বিস্তারিত” ফোনালাপ হয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এক্স-এর এক পোস্টে এমটিই জানান শেহবাজ শরিফ।
পোস্টে তিনি বলেন, তিনি ইরানি প্রেসিডেন্টকে পাকিস্তানের চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়ে অবহিত করেছেন এবং জানিয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে “সংলাপ ও উত্তেজনা প্রশমন সহজতর করার” উদ্যোগ নিচ্ছেন তারা।
পাকিস্তান এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তিনি ইরানে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইরানের “সাহসী জনগণের প্রতি পাকিস্তানের সংহতি” ব্যক্ত করেছেন।

















