বকেয়া কর আদায়ের জন্য চালু থাকা ট্যাক্স লিয়েন বিক্রি স্থগিত করেছেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোরান মামদানি।
গত তিন দশক ধরে নিউ ইয়র্ক সিটিতে চালু আছে ট্যাক্স লিয়েন বিক্রির প্রক্রিয়া। এ ব্যবস্থায় কোনো বাড়ির মালিকের প্রপার্টি ট্যাক্স বেশি পরিমাণে বকেয়া থাকলে সিটি কর্তৃপক্ষ সেই বকেয়া বিল ছাড়মূল্যে একটি ট্রাস্টের কাছে বিক্রি করে দেয়।
আইউইটনেস নিউজ জানায়, কমপক্ষে ৬ মাস প্রক্রিয়াটি বন্ধ থাকবে বলে বুধবার নিশ্চিত করেন মেয়র মামদানি।
সিটি হলের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান ট্যাক্স লিয়েন বিক্রি ব্যবস্থার ফলে শিকারি ঋণ আদায়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্ত বাড়ির মালিকদের ওপর লাভ করছে। এতে নিউ ইয়র্ক সিটির অনেক বাসিন্দা নিজেদের বাড়ি হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বকেয়া কর ও ফি আদায়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এর মধ্যে আছে বাড়ির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, ল্যান্ডব্যাংক ব্যবস্থার মতো নতুন উপায় ব্যবহার করা এবং পারিবারিক বাড়িতে বসবাসকারী উত্তরাধিকারীদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
সিটি হল কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছেন আবাসন অধিকারকর্মীরা।
অধিকারকর্মীদের ভাষ্য, যেসব বাড়ির মালিকরা বকেয়া কর পরিশোধে সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন, তাদের সাহায্য করাই কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। ট্যাক্স লিয়েন প্রক্রিয়াটি বিবেচনা করা ছিল সময়ের দাবি।
গত তিন দশক ধরে নিউ ইয়র্ক সিটিতে চালু আছে ট্যাক্স লিয়েন বিক্রির প্রক্রিয়া।
এ ব্যবস্থায় কোনো বাড়ির মালিকের প্রপার্টি ট্যাক্স বেশি পরিমাণে বকেয়া থাকলে সিটি কর্তৃপক্ষ সেই বকেয়া বিল ছাড়মূল্যে একটি ট্রাস্টের কাছে বিক্রি করে দেয়।
ওই ট্রাস্ট সাধারণত বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের নিয়ে গঠিত হয়। পরে বিনিয়োগকারীরা সুদসহ বকেয়া অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। নির্দিষ্ট সময়ে অর্থ পরিশোধ না করতে পারলে সংশ্লিষ্ট বাড়ি নিলামে বিক্রি করতে পারে তারা।
এ প্রক্রিয়ার একজন ভুক্তভোগী ব্রুকলিনের বাসিন্দা ফিলমোর ব্রাউন।
ব্রাউন জানান, ৫ হাজার ডলারের একটি বকেয়া পানির বিলের কারণে তার ১০ লাখ ডলারের বাড়িটি বিক্রি হয়ে যায়। ট্যাক্স লিয়েন প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্থগিত ও পুনরায় নিজের বাড়ি ফিরে পাওয়ার দাবিও জানান এ ভুক্তভোগী।










