সৌদি আরবে রিয়াদের খোরদাম শহরের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৭ বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। বাকি ৫ জন নাটরের নলডাঙ্গা উপজেলার। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার (৯ আগস্ট) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ১টা ৩০ মিনিট (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টার দিকে) কারখানায় আগুন লাগে।
জানা গেছে, খোরদাম শহরের ওই কারখানায় আগুন লাহার পর মুহূর্তেই তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতরা জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়ে ওই সোফা কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
কারখানাটিতে কর্মরত বর্তমানে ছুটিতে থাকা বাংলাদেশি শ্রমিক আত্রাই উপজেলার মোহনঘোষ গ্রামের জহুরুল ইসলাম তাদের মৃত্যুর বিষয়টি স্থানীয় গণমাধ্যকে নিশ্চিত করেছেন।
১৭ জন বাংলাদেরশির মধ্যে ১২ জন নওগাঁ আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালি, ডুবাই, বৈঠাখালি, খনজোর, পারকসুন্দা, দিঘিরপাড়ের। বাকি পাঁচজন পাশের নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানার খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিহতদের মধ্যে নওগাঁর ১২ জনের মধ্যে কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের মহুন প্রামাণিক, সুমন প্রামাণিক, তাদের পিতা: গুফফার প্রামাণিক; একই গ্রামের রুবেল হোসেন, পিতা: জাননার; কলি প্রামাণিক, পিতা: ফজলু; সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ, পিতা: ময়েন শেখ; বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের সুমন, পিতা: মৃত বাদল; হাসিবুল হসান শুভ, পিতা: চঞ্চল; একই ইউনিয়নের বড়সাঁটা গ্রামের সুমন, পিতা: মৃত রুহুল; পাচুপুর ইউনিয়নের পারকসুন্দা গ্রামের জলিল, পিতা: জালাল কানা।
দুর্ঘটনায় নিহত আত্রাই উপজেলার বাকি তিনজনের নাম-পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রাতে এশিয়া পোস্টকে বলেন, আগুন লাগার তথ্য পেয়েছি। তবে কোন উপজেলার কতজন, সে বিষয়ে জানার চেষ্টা চলছে। আগামীকাল সকালে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।





