আমেরিকা-চীন-ভারত, পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

Share

বাংলাদেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় দেড় মাস হতে চলেছে। নতুন এই সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পরপরই পুরো বিশ্ব টালমাটাল হয়ে ওঠে ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও ভোগান্তিতে পড়েছে জ্বালানী সরবরাহ ঠিক রাখতে।

এরমধ্যেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর সফর করছেন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ। যার মূল লক্ষ্য ঐ অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শ্রমিকদের খোঁজ-খবর নেওয়া। খবর বিবিসি বাংলার।

এছাড়া চলতি সপ্তাহে ভারত সফরের কথা আছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। বর্তমানে তিনি আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে।

এর আগে বাংলাদেশে সফর করে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর।

সবমিলিয়ে পররাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যস্ত এবং একইসঙ্গে ইরান যুদ্ধের কারণে কিছুটা জটিল সময় পার করছে বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?
আওয়ামী লীগের ষোলো বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ পরিচিত ছিলো মূলত ভারত ঘনিষ্ট দেশ হিসেবে।

পরে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়, তখন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খুব দ্রুতই নিচে নেমে যায়।

তবে এই একইসময়ে আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় বাংলাদেশের।

এখন যখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় তখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, নতুন এই সরকার পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কোন দিকে ঝুঁকছে? ভারত, চীন নাকি যুক্তরাষ্ট্র?

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের নতুন সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম অবশ্য বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্দিষ্ট কোন দেশকে ঘিরে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমাদের নতুন সরকারের প্রায়োরিটি হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহ কোথায় সেটা নিয়ে। আমাদের নীতি হচ্ছে, সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। আমাদের দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক সম্পর্কগুলোর প্রতিটিই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের স্বার্থকে সুরক্ষা করে। অর্থাৎ বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিয়েই আমাদের ফরেন পলিসি হবে, নির্দিষ্ট কোন দেশকে ঘিরে নয়।

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে মার্কিন ঘেঁষা নীতি নিচ্ছে বাংলাদেশ?
বাংলাদেশ তার বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে সব দেশের সঙ্গে যে সুসম্পর্কের কথা বলছে সেটার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে হচ্ছে, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে।

দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ তার প্রথম বিবৃতিতেই উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের হামলার সমালোচনা করেছে। বিপরীতে এড়িয়ে গেছে, ইরানে মার্কিন হামলাকে।

বিবৃতিতে ইরানের পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ‘কয়েকটি দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা’ ঘটেছে দাবি করে এর নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

সমালোচনার মুখে অবশ্য বাংলাদেশ নতুন করে বিবৃতি দেয়।

তবে এই বিবৃতি নিয়েও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে খোদ ইরানের তরফ থেকে।

গত বুধবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি প্রকাশ্যেই বলেছেন, ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের বিবৃতি ‘আরও স্পষ্ট হওয়া উচিত ছিল’। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইরানে ‘আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে নিন্দা করবে’ এমন প্রত্যাশা ছিলো তার দেশের।

একদিকে ইরান নিয়ে সমালোচিত বিবৃতি অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে করা মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিকে সমর্থন-দুটো মিলিয়েই বাংলাদেশে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকছে কিনা।

সরকার অবশ্য এমন অভিযোগ নাকচ করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এর আগে একাধিক ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই কাজ করছে।

তবে নানা প্রশ্ন এবং সমালোচনা হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবীর অবশ্য বলেছেন, বাংলাদেশের বিদেশ নীতি নির্দিষ্ট কোন দেশের দিকে ঝুঁকে গেছে এখনই সেই সিদ্ধান্ত টানার সময় আসেনি।

তিনি বলেন, প্রথম স্টেটমেন্টে আমরা উপসাগরীয় অঞ্চলের ব্যাপারে বেশি মনোযোগী থেকেছি। ইরান আক্রমণ হয়েছে এ ব্যাপারে কিছু বলিনি। কিন্তু পরদিনই সরকারের দিক থেকে একটা বিবৃতি দিয়ে সেখানে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর জন্য শোক প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ এটাকে তারা ব্যালেন্স করেছেন। সুতরাং যেহেতু এটা নতুন সরকার, আমি বোঝার জন্য তাদেরকে আরেকটু গ্রেস পিরিয়ড দেবো আরকি।

আমেরিকা-চীন-ভারতের পাল্টাপাল্টি স্বার্থে জটিলতা
বাংলাদেশে শুধু আমেরিকা নয়, অতীতে ভারত, চীন কিংবা রাশিয়ার মতো দেশগুলোকে ঘিরেও নানা টানাপোড়েন দেখা গেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে দেশগুলোর ভূমিকা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে।

এক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষার কথা বলা হলেও অনেক সময় দেখা যায়, এক দেশের প্রকল্প অন্য দেশের ক্ষোভের কারণ। যেমন ভারত-চীনের ক্ষেত্রে তিস্তা প্রকল্প।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. লাইলুফার ইয়াসমিন মনে করেন, তিস্তা প্রকল্প হবে চীন-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘লিটমাস টেস্ট’।

এ ধরনের ইস্যু যেখানে দুটি দেশের পাল্টাপাল্টি স্বার্থ আছে, সেখানে বাংলাদেশের মতো দেশের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ নয়।

ফলে দেখা গেছে, তিস্তা প্রকল্প কয়েক বছর ধরে আলোচনা চললেও বাস্তবায়ন ঝুলে আছে। আওয়ামী লীগের মতোই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।

তবে ড. লাইলুফার ইয়াসমিন মনে করেন দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে যদি সকল দলের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করা যায়, তাহলে সেটা জাতীয় স্বার্থে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, এখানে স্বার্থগুলো আসলে পরস্পর সাংঘর্ষিক হয়ে যায় অনেকসময়। কিন্তু যদি কোনো একটা ইস্যুতে বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে সেটা নিয়ে সমালোচনা কম হবে। সেটা না করলে এই সন্দেহ তৈরি হবে যে, প্রকল্পটা হয়তো নির্দিষ্ট কোন একটা দেশকে কোনো একটা কারণে দেওয়া হয়েছে। এটা একটা দলভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি হয়ে যায়। যে কারণে একবার আপনি প্রো-চায়না হচ্ছেন, আরেকবার প্রো-ইনডিয়া হচ্ছেন, আরেকবার প্রো-আমেরিকা হচ্ছে। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ভারতের কাছে জ্বালানি সংকট মেটাতে অতিরিক্ত ডিজেলের চাহিদা দিয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গেও আছে উষ্ণ সম্পর্ক।

তবে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া তারেক রহমানকে লেখা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠিতে এটা স্পষ্ট যে, আমেরিকা এই সম্পর্ককে যুক্ত করতে চায় তাদের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের সঙ্গে। কারণ চিঠিতে স্পষ্ট করেই ইন্দো-প্যাসিফিকের কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু এই ইস্যুতে আবার উদ্বেগ আছে চীনের।

ড. লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমেরিকার স্বার্থ দেখতে গিয়ে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সেটাও খেয়াল রাখতে হবে বাংলাদেশকে। কারণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চীনের বিনিয়োগ এবং অর্থের দরকার আছে।

জানতে চাইলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবীর বলেন, অতীতে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়ায় এর নানা মাশুল দিতে হয়েছে। এমন ভুলের পুনরাবৃ্ত্তি করা যাবে না।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা দেখতে গেলে আমাদেরকে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে হবে, ওদেরকেও আমাদের সঙ্গে কাজ করতে হবে। কারণ দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্ত আছে। দ্বিতীয় বিবেচনা হচ্ছে, বাংলাদেশ প্রায় পঞ্চাশ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করে। যেটা যায় ইউরোপ-আমেরিকায়। কিন্তু এই রপ্তানির কাঁচামাল আসে চীন-ভারত থেকে।

সুতরাং এখানে স্বার্থগুলো একটা চেইনের মতো। এখানে কাউকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে গ্রহণ করবো সেই সুযোগ নেই। এখানে কোন একটা পক্ষের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক বা পক্ষপাতিত্ব করতে গেলেই জটিলতা তৈরি হবে।

‘কে নাখোশ হবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়’
কিন্তু বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক এমন স্বার্থের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নীতি আসলে কী হবে?

এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থের জন্য যেটা ভালো হবে, সেটাই করা হবে। এক্ষেত্রে ‘কে নাখোশ হবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়’

তিনি বলেন, দেখেন ভারতের সঙ্গে আমাদের তিস্তা নিয়ে ইস্যু আছে, পানি নিয়ে ইস্যু আছে, বাণিজ্য ঘাটতি, সীমান্ত ইস্যু আছে। এইসবগুলো ক্ষেত্রেই আমাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান হবে। একইভাবে চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ সকল দেশের সঙ্গে একই নীতিতে সম্পর্কটা হবে। কে কোনটাতে নাখোশ হবে সেটার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের মানুষ কোনটাতে ভালো থাকবে।

শামা আরও বলেন, বাংলাদেশের কোনটা ভালো সেটা নিশ্চিত করার পরে কোন দেশ কোনটাতে আগ্রহী আমরা সেটা তখন দেখবো। আমাদের আগে নিশ্চিত করত হবে দেশের মানুষ কী চায়।

বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতি স্পষ্ট করছে। যেখানে গুরুত্ব পাচ্ছে সবার আগে বাংলাদেশ।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, প্রভাবশালী দেশগুলোও একইভাবে নিজেদের স্বার্থ দেখতে চায় এবং এর জন্য নানা চাপও তৈরি করে।

সেই চাপ সামলানো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Share

সর্বশেষ সংযোজন

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই দেশের সংশ্লিষ্টরা। রোববার রাজধানীর উত্তরায়...

টরন্টোতে গাইবেন বন্যা, নাচবেন শিবলী-নীপা

কানাডার টরন্টোতে ১৪ নভেম্বর বসতে যাচ্ছে সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’। নর্থ ইয়র্কের টরন্টো প্যাভিলিয়নে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে গান গাইবেন বাংলাদেশের বরণ্যে...

বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্ট এখন মালয়েশিয়ার, ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে ১২৯ দেশে

আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধার দিক থেকে মালয়েশিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। ২০২৬ সালের পাসপোর্ট সূচকের বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। প্রথম...

অক্টোবর থেকে নতুন নিয়ম, মেডিকেইড হারানোর আশঙ্কায় বৈধ অভিবাসীরা

যুক্তরাষ্ট্রে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মেডিকেইড ও চিপ কর্মসূচিতে বৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের যোগ্যতার নিয়মে বড় পরিবর্তন কার্যকর হচ্ছে। নতুন বিধানের ফলে এতদিন ফেডারেল...

আপনাই জন্য

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুই দেশের সংশ্লিষ্টরা। রোববার রাজধানীর উত্তরায়...

টরন্টোতে গাইবেন বন্যা, নাচবেন শিবলী-নীপা

কানাডার টরন্টোতে ১৪ নভেম্বর বসতে যাচ্ছে সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’। নর্থ ইয়র্কের টরন্টো প্যাভিলিয়নে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে গান গাইবেন বাংলাদেশের বরণ্যে...

বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্ট এখন মালয়েশিয়ার, ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে ১২৯ দেশে

আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধার দিক থেকে মালয়েশিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। ২০২৬ সালের পাসপোর্ট সূচকের বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে মালয়েশিয়া দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। প্রথম...

অক্টোবর থেকে নতুন নিয়ম, মেডিকেইড হারানোর আশঙ্কায় বৈধ অভিবাসীরা

যুক্তরাষ্ট্রে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মেডিকেইড ও চিপ কর্মসূচিতে বৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের যোগ্যতার নিয়মে বড় পরিবর্তন কার্যকর হচ্ছে। নতুন বিধানের ফলে এতদিন ফেডারেল...

ট্রেন্ডিং নাও

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব অব্যাহত থাকবে: বেদান্ত প্যাটেল

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। ২২ জানুয়ারী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে...

সৈকতে ২ মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে বাংলাদেশি দম্পতির মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রসৈকতে দুই মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে বাংলাদেশি দম্পতি মারা গেছেন। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দেশটির ওয়ালপোল নামক স্থানে সমুদ্রসৈকত থেকে স্থানীয় পুলিশ তাদের মরদেহ...

ফের পাক-ভারত গেমে বাংলাদেশ
ঢাকা-দিল্লি টানাপোড়েনে নতুন সমীকরণ, আলোচনায় সৌদি ও রোহিঙ্গা ইস্যু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর ঘিরে যখন ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই সমীকরণে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদের...

Related Articles

টরন্টোতে গাইবেন বন্যা, নাচবেন শিবলী-নীপা

কানাডার টরন্টোতে ১৪ নভেম্বর বসতে যাচ্ছে সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’। নর্থ...

বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্ট এখন মালয়েশিয়ার, ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে ১২৯ দেশে

আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুবিধার দিক থেকে মালয়েশিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। ২০২৬...

অক্টোবর থেকে নতুন নিয়ম, মেডিকেইড হারানোর আশঙ্কায় বৈধ অভিবাসীরা

যুক্তরাষ্ট্রে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে মেডিকেইড ও চিপ কর্মসূচিতে বৈধভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের...

কুইবেক নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের হাল-হকিকত

আগামী ৫ অক্টোবর কুইবেকের প্রাদেশিক নির্বাচনে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।...

নিউ ইয়র্কে ‘আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক শ্রেষ্ঠত্ব সম্মাননা-২০২৬’ পেলেন ৬ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

ব্যবসা, উদ্যোক্তা, পেশাগত নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জন...

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে শেখ গালিব রহমানের অনন্য সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নেতৃত্ব, শিক্ষা, উদ্যোক্তা এবং নাগরিক অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ইউনাইটেড...

মানবপাচার জালিয়াত চক্রে বাংলাদেশি
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার কিছু নাগরিক মানবপাচারে জালিয়াত চক্র গড়ে তুলেছে।...

অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা আজাদ...