পর্তুগালে বিমানবন্দরে সময় বাঁচাতে ভ্রমণের তিনদিন আগেই করা যাবে প্রি-রেজিস্ট্রেশন। ফলে বিমানবন্দরে আসার অল্প সময়ের মধ্যই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশ থেকে আসা যাত্রীরা।
প্রাথমিকভাবে এই সেবাটি কেবল লিসবন বিমানবন্দরে পাওয়া গেলেও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পর্তুগালের অন্যান্য বিমানবন্দরেও এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ট্রাভেল টু ইউরোপ নামে একটি নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
যার মাধ্যমে পর্তুগালে লিসবন বিমানবন্দরে দীর্ঘস্থায়ী ভিড় সামাল দেওয়া যাবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশ থেকে আসা যাত্রীরা তাদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ভ্রমণের বিবরণ পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টা আগেই প্রি-রেজিস্ট্রেশন বা পূর্ব-নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন।
অ্যাপটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, যাত্রীরা প্রবেশের শর্তাবলী সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নপত্রের উত্তর দেশটিতে পৌঁছানোর আগেই অ্যাপের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। যদিও অ্যাপটি ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি ব্যবহার করলেও যাত্রীদের সশরীরে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বা ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই যেতে হবে, তবে এটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য যাচাইয়ের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।
উল্লেখ্য যে, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া এন্ট্রি/এক্সিট সিস্টেমে ডাটা প্রসেসিংয়ের সমস্যার কারণে লিসবনসহ ইউরোপের অনেক বিমানবন্দরে দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়েছিল। গত ডিসেম্বরে ইউরোপীয় কমিশনের এক আকস্মিক পরিদর্শনে লিসবন বিমানবন্দরের সীমান্ত নিরাপত্তায় ‘গুরুতর ঘাটতি’ ধরা পড়লে সরকার তিন মাসের জন্য ইইএস ব্যবস্থার প্রয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য এবং যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমাতে গত জানুয়ারি থেকে লিসবন বিমানবন্দরে অতিরিক্ত হিসেবে ন্যাশনাল রিপাবলিকান গার্ডের ২৪ জন সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন এই অ্যাপটি সেই সংকট নিরসনে একটি কার্যকর ডিজিটাল সমাধান হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।










